ডাকপিয়ন

তিন মাসে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি

মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে সমাপ্ত মে মাসে। মূল্যস্ফীতি কমে আসার হার শুন্য দশমিক ৩০ শতাংশ আগের মাসের তুলনায়। মাসটিতে মূল্যস্ফীতি দাঁড়ালো ৫ দশমিক ২৬ শতাংশে। গত তিন মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন কমে আসার এ হার।

গত বছরের একই মাসের তুলনায়ও আলোচ্য মে মাসের মূল্যস্ফীতি কম। গত বছরের মে মাসে এ হার ছিল ৫ দশশিক ৪৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যের বরাত দিয়ে মূল্যস্ফীতির এই তথ্য জানিয়েছেন পরিকল্পনমন্ত্রী এম এ মান্নান। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান তিনি। মঙ্গলবার শেরে বাংলানগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

ব্রিফিংয়ে মূল্যস্ফীতি কমে আসার কারণ প্রসঙ্গে বিবিএস সচিব মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী বলেন, খাদ্যপণ্যের দর নিয়ন্ত্রণে ছিল গত এপ্রিলের তুলনায় সমাপ্ত মে মাসে। বিশেষ করে বাজারে চাল, শাকসবজি, মুরগি ও মাছের দাম কম ছিল। এর ফলে মূল্যস্ফীতি কমেছে খাদ্যদ্রব্যে। এর প্রভাবে মোট মূল্যস্ফীতি কমে এসেছে। যদিও মাসটিতে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, কৃত্রিমভাবে মূল্যস্ফীতি বাড়ানো- কমানোর কোনো ধরনের ম্যাকানিজম নেই। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করেই মূল্যস্ফীতির হার নির্ধারণ করা হয়।

বিবিএসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মে মাসে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ছিল ৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ। খাদ্যবর্হিভূত খাতে এ হার ছিল ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ। আবার শহরের তুলনায় গ্রামের মূল্যস্ফীতি বেশি। মে মাসের শহরের মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ। মাসটিতে গ্রামে মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ২৮ শতাংশ।