ডাকপিয়ন

রাবিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

রাবি প্রতিবেদক :  বর্তমান প্রজন্ম তাঁকে নিয়ে পড়ছে না। তাঁর চেতনা ও মূল্যবোধ ধারণ করতে হবে, লালন করতে হবে শুধু মুখে বলে লাভ নেই। মুখে নয়, বঙ্গবন্ধুকে হৃদয়ে লালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, “যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করতে চায়, তারা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবেই।”

এসময় উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান বলেন, “বঙ্গবন্ধুর জীবনী আলোচনা করে শেষ করা যাবে না। তার জীবনের একটি মাত্র দিক নিয়ে আলোচনা করলেও সারা দিন রাত আলোচনা হবে। তার মধ্যে যে সাহস, কল্পনাশক্তি,দৃঢ়তা, অঙ্গীকার, মতো গুণগুলোকে কেউ অতিক্রম করতে পারবে না। তিনি বিচ্ছিন্ন আন্দোলন করেন নি, করেছেন পরিকল্পিত ভাবে। বাংলাদেশের বদনাম ঘুচানোর জন্যই বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান প্রজন্ম তাঁকে নিয়ে পড়ছে না। তাঁর চেতনা ও মূল্যবোধ ধারণ করতে হবে, লালন করতে হবে শুধু মুখে বলে লাভ নেই।”

এদিকে দিনের শুরুতেই বুধবার(১৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭ টায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে সকাল ১০টায় শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে আলোচনা সভা আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. চৌধুরী মোঃ জাকারিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহান।

সমাপনী বক্তব্যে ‘মেজর জিয়াকে যারা স্বাধীনতার ঘোষক দাবি করেন’ তাদের উদ্দেশ্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মোঃ জাকারিয়া বলেন, তার নাম আমরা ১৯৩৮ সালে দেখতে পাইনা, একইভাবে ১৯৪৭, ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬৬’ এমনকি ৬৯-৭০’ ও তার কোন ভূমিকা ছিলনা। ১৯৭১ ‘এ এসে হঠাৎ করে স্বাধীনতার ঘোষক হবেন, এটা কল্পনাও করা যায় না।”

তিনি আরও বলেন, “বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আমাদের যুবসমাজ ও ছাত্রদের কে উদ্বুদ্ধ করতে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী ‘ও কারাগারের রোজনামচা বইগুলো বেশ ভূমিকা রাখবে। বঙ্গবন্ধু একজন প্রতিবাদী মানুষ ছিলেন। বঙ্গবন্ধু একদিনে তৈরি হয়নি। নেতৃত্বের ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর গুণ বর্ণনা করে বলেন খেলার মাঠে,ক্লাসে সর্বক্ষেত্রে তিনি ক্যাপ্টেনের দায়িত্ব পালন করে নেতৃত্বের দূরদর্শিতা পরিচয় দিয়েছেন।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনন্দ কুমার সাহা
, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান আল আরিফ, সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নূরুল্লা, প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফুর রহমান, টিএসসিসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. হাসিবুল আলম প্রধান প্রমুখ।

আরও পড়ুন...

অবশেষে হল ছাড়লেন জাবি শিক্ষার্থীরা

admin

৭ কলেজ শিক্ষার্থীদের নীলক্ষেত মোড় অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

admin

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থগিত পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

admin